হাওজা নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদন: পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে আমরা প্রতিদিন “রমজানের বিধান” শিরোনামে একটি আয়োজন উপস্থাপন করছি; এই আয়োজনে পবিত্র রমজান মাস সংশ্লিষ্ট শরয়ি বিধান ও ধর্মীয় নেতাদের মতামত আপনাদের সামনে উপস্থাপন করা হবে।
হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন সাইয়্যেদ মুহাম্মাদ তাকি মুহাম্মাদী:
কাফফারা বিষয়ক আলোচনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দাস মুক্তির বিধান। বর্তমান যুগে দাসপ্রথা বিদ্যমান নেই। প্রশ্ন হলো, যারা কারাবন্দি আছেন তাদের মুক্তি দেওয়া কি এর বিকল্প হতে পারে?
উত্তরে আমাদের বলতে হবে, না, তা হতে পারে না।
দ্বিতীয় বিষয় হলো, যারা ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের রোজা ভঙ্গ করেছেন, তাদের অবশ্যই কাফফারা দিতে হবে। এখন প্রশ্ন হলো, যদি কেউ রোজা রাখতে অক্ষম হন এবং অন্যদিকে কাফফারা দেওয়ার সামর্থ্যও না থাকে, তবে তাদের করণীয় কী?
মারজায়ে তাকলীদগণ বলেন, ইস্তিগফার (ক্ষমা প্রার্থনা) করবে এবং তওবা করবে।
এক্ষেত্রে প্রশ্ন হলো, যদি পরবর্তীতে তার আর্থিক অবস্থা ভালো হয়ে যায়, তবে কি তাকে (কাফফারা) আদায় করতে হবে?
উত্তরে আমাদের বলতে হবে— না, আদায় করতে হবে না। আয়াতুল্লাহ উজমা খামেনেয়ী এবং আয়াতুল্লাহ মাকারেম শিরাজির মতে, যেহেতু সে ইস্তিগফার করেছে, তাই বিষয়টির চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়ে গেছে।
ভবিষ্যতে যদি তার অবস্থা ভালো হয়, তবে (কাফফারা আদায় করা) মুস্তাহাব (পছন্দনীয়) হবে। কিন্তু এই দুই মহান ব্যক্তিত্ব ছাড়া অন্যান্য ধর্মীয় নেতাদের মতে, যদি সে কিছু কাফফারা আদায় করে থাকে এবং এখন বাকি অংশ দেওয়ার সামর্থ্য রাখে, তবে অবশ্যই তা পরিশোধ করতে হবে।
আপনার কমেন্ট